শহীদ আলাউদ্দিন ও আমাদের দায়

0
1482

বৃহত্তর দণিাঞ্চলের প্রথম শহীদ ধরা হয় শহীদ আলাউদ্দিনকে। শহীদ আলাউদ্দিন ১৯৬৯ এর গণঅভূত্থানে বরিশালে শহীদ হন। পটুয়াখালীর খেপুপাড়ার ছেলে। বরিশাল একে স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। ওই সময় শখে মুজবিসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রফেতার সকল রাজবন্দরি মুক্ত,ি ৬ দফা বাস্তবায়ন ও ছাত্র সংগ্রাম পরষিদরে ১১ দফা দাবী আদায়রে আন্দোলন চলছলি। সে আন্দোলনে র্সবস্তররে লোকজন অংশ নয়ে। স্কুল ছাত্র আলাউদ্দনিও সদেনি মছিলিে অংশ নয়িছেলিনে। সকাল ১০টায় টকেনক্যিাল কলজে থকেে তাদরে মছিলি শুরু হয়। বলো ১১টার দকিে কাকলীর মোড়ে (জগদীশ সনিমো হলরে কাছ)ে মছিলি আসলে পুলশিরে বাঁধার মুখে পর।ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গেে মছিলিটি চক বাজার, বাজার রোড এলাকা হয়ে অশ্বনিী কুমার হলরে সামনে আসার পর ইপআির মছিলিরে উপর গুলি র্বষন কর।ে এ সময় আলাউদ্দনিসহ অনকেে আহত হন। বএিম কলজেরে ছাত্র হমোয়তেরে দুই পা গুলবিদ্ধি হয় এবং বাজার রোডরে নুর ময়িার এক হাতরে সবগুলো আঙ্গুল বচ্ছিন্নি হয়ে যায়। আলাউদ্দনিকে সদর হাসপাতালে র্ভতরি পর বকিলে সাড়ে ৫টার দকিে তার মৃত্যু হয়।পরদনি ২৯ জানুয়ারী শহরে শোক মছিলি করে ছাত্র সংগ্রাম পরষিদ। নারী নত্রেী মনোরমা বসু মাসমিা ও বপ্লিবী দবেন্ত্রেনাথ ঘোষ সে মছিলিে নতেৃত্ব দনে। ৩০ জানুয়ারী পুলশি প্রহরায় আলাউদ্দনিরে মৃতদহে খপেুপাড়ায় পাঠানো হয়।

উত্তাল ৬৯-এর ২০ জানুয়ারি স্বৈরাচারী আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ঢাকায় প্রথম শহীদ হন আসাদ। ২৪ জানুয়ারি শহীদ হন মতিউর। ২৮ জানুয়ারি বরিশালে শহীদ হন আলাউদ্দিন । ১৫ ফেব্র“য়ারি শহীদ হন সার্জেন্ট জহুরুল হক ও ১৮ফেব্র“য়ারি রাজশাহীতে শহীদ হন ডঃ শামসুজ্জোহা। ২১ ফেব্র“য়ারি তুলে নেয়া হল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা।জাতীয় মুক্তির ইতিহাসে সকল শহীদের জায়গা হয়নি সত্য। ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ধরা হয়। ৩০ লাখ শহীদের ভিতর খুব অল্প সংখ্যক শহীদকেই আমরা ইতিহাসে জায়গা দিতে পেরেছি। কিন্তু ৫২ কিংবা ৬৯-এ শহীদ কিন্তু অগনিত নয়। তবুও শহীদ আলাউদ্দিনকে আমরা জায়গা দিতে পারলাম না। উত্তর প্রজন্ম হিসেবে দায়টা হয়তো আমারও।

তবুও একবার ভাবুন বঞ্চিত পটুয়াখালীবাসি হিসেবে গর্ব করার মত খুব কম উদাহরণই আছে আমাদের। আর যা আছে তাও হারিয়ে যাচ্ছে বিস্মৃতির অতল গহ্বরে। পেপারে দেখলাম শহীদ আলাউদ্দিনের ৪৩ তম শাহাদত দিবসে কলাগাছের মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে কলাপাড়ার মানুষ। শহীদ আলাউদ্দিন স্মরণে পটুয়াখালীতে একটি শিশু পার্ক রয়েছে আমরা জানি।৫০ এর দশকে নির্মিত আজিজ পার্ক (তৎকালীন মহাকুমা প্রশাসকের নামানুসরে) ৬০ এর দশকে যার পরিবর্তিত নাম হয় অনার বাগ। ৬৯-এ স্থানীয় জনগনের দাবির মুখে নাম করণ করা হল শহীদ আলাউদ্দিন শিশু পার্ক। এক সময় জেলা পরিষদের আওতাধীন থাকলেও এখন এটি পৌরসভার আওতাধীন। শিশু পার্কটিতে কোন শিশু না পেলেও পাবেন কিছু হকার সন্ধ্যার পর যা চলে যায় নেশাখোরদের দখলে।